
নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আলিপুর ইউনিয়নের গাংনিয়া-মাহমুদপুর গ্রামে সামান্য পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের হামলায় চাচা ও ভাইজি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আলিপুর ইউনিয়নের গাংনিয়া-মাহমুদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা জানান, গাংনিয়া-মাহমুদপুর গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে কথিত মাদক ব্যবসায়ী ও একাধিক মামলার আসামি হবিবরের ছেলের কাছে পাওনা টাকা চাইলে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার আশ্বাস দেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে আলিপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুস সালামকেও জানানো হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, সন্ধ্যার দিকে সোহরাব হোসেনের ভাইয়ের ছেলে নয়ন ও পলাশকে তাদের বাড়ির সামনে ডেকে নেয় হবিবর ও তার ভাই সাইফুল। সেখানে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের উপর বেধড়ক মারধর শুরু হয়। ভাইপোদের উপর হামলার খবর পেয়ে তাদের রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন চাচা সোহরাব হোসেন ও ভাইজি জাহানারা। এ সময় দেশীয় অস্ত্র রড ও শাবল নিয়ে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়।
হামলায় মোমিন আলী কারিগরের ছেলে সোহরাব হোসেন (৬৫) ও উজির আলীর মেয়ে জাহানারা (৫৫) গুরুতর আহত হন। তাদের মাথায় রড ও শাবলের আঘাতে গভীর জখম হয়ে ১০ থেকে ১২টি সেলাই দিতে হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
আহতদের স্বজনদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করাতেও বাধা দেওয়া হয়। হত্যা ও মিথ্যা মামলার আশঙ্কায় পরিবারটি আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এ কারণে থানায় অভিযোগ দায়েরেও বিলম্ব হয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাতক্ষীরা সদর থানা-এ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
