
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বিএনপির বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিএনপি মনে করেছিল এ দেশ তাদের পায়ের নিচে সেজদায় লুটিয়ে পড়বে। অথচ তারাই পাঁচ-পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশকে লুটপাটের রাজ্যে পরিণত করেছিল।” বুধবার সন্ধ্যায় শহরের তুফান কোম্পানি মোড়ে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের আগুনঝরা বক্তব্যে পথসভা মুহূর্তেই জনসভায় রূপ নেয়।
নিজস্ব প্রতিনিধ।।
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বিএনপিকে দুর্নীতি, লুটপাট ও নৈতিক অবক্ষয়ের প্রতীক আখ্যা দিয়ে বলেন, “এরশাদের আমলে বিএনপির মন্ত্রীদের বাড়িতে চোর, ডাকাত আর বিদেশি মদের আস্তানা পাওয়া গিয়েছিল। তারা রাষ্ট্রক্ষমতাকে ব্যবহার করেছে জনগণকে শোষণের জন্য।”
তিনি আরও বলেন, “বিএনপি নেতৃত্ব দেশকে লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল। তাদের রাজনীতি মানেই চাঁদাবাজি, দখলবাজি আর দুর্নীতির উৎসব।”
ডা. শফিকুর রহমানের আইডি হ্যাকের প্রসঙ্গ টেনে মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন,
“আমীরে জামায়াতের আইডি হ্যাক হওয়ার আগেই বিএনপির মিছিল-মিটিংয়ের ব্যানার তৈরি ছিল। এটা প্রমাণ করে পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতৃত্বেই এ ষড়যন্ত্র হয়েছে।”
তিনি অভিযোগ করেন,
“হ্যাক করা আইডি থেকে নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট দেওয়া হয়েছে। পর্দানশীন মায়েদের তলপেটে লাথি মারা হয়েছে, পর্দা ধরে টান দেওয়া হয়েছে। এটা কোন রাজনীতি নয়, এটা বর্বরতা।”
কড়া ভাষায় তিনি বলেন, “এসব করে জামায়াতকে ঠেকানো যাবে না। জনগণ জানে ডা. শফিকুর রহমান কেমন মানুষ। তিনি শুধু নেতা নন, তিনি বিশ্ব ইসলামী আন্দোলনের বরেণ্য মনীষী। ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে তিনিই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। ”পৌর ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর নুরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, অধ্যাপক ওমর ফারুক, সাবেক এমপি সালাউদ্দিন, পৌর আমীর মো. জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি খোরশেদ আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
শেষ পর্যন্ত মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের নির্বাচনী পথসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে তুফান কোম্পানি মোড়।

