ঢাকারবিবার , ২৫ জানুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে: তারেক রহমান

বার্তা বিভাগ
জানুয়ারি ২৫, ২০২৬ ১:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের নাম। এই চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং এই চট্টগ্রামেই তিনি শহীদ হন। একইভাবে এই নগরীতেই খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এসব কারণে চট্টগ্রামের সঙ্গে তাঁর এবং তাঁর পরিবারের একটি গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।

রোববার দুপুর ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে মাঠটি জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর ২০২৪ সালের আন্দোলনের মাধ্যমে সেই স্বাধীনতাকে আবার রক্ষা করেছে বাংলাদেশের জনগণ। দেশের মানুষ পরিবর্তন চেয়েছে। তারা এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়, যেখানে শিক্ষা ও চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে আমরা অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু শুধু সমালোচনা করলে কারও পেট ভরবে না, সাধারণ মানুষের কোনো লাভও হবে না। বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য বিএনপি কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে চায়। কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিয়ে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে, যাতে তারা ন্যায্যভাবে উৎপাদন করতে পারে।

চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাল-নালা ভরাট ও বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে খাল কাটার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করা হবে। তিনি উপস্থিত জনতার কাছে খালকাটা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান।

তারেক রহমান আরও বলেন, চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড গড়ে উঠেছে, যেখানে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এসব ইপিজেড বিএনপির শাসনামলেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনলে আরও নতুন ইপিজেড স্থাপন করা হবে। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি।